রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মাসিক আলোচনাসভা গ্রাম আগে না রাস্তা আগে? কেন্দ্রীয় ফারিয়ার মিলন মেলায় চট্টগ্রাম মহানগর ফারিয়ার পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বাংলাদেশে গাড়ির কারখানা করবে টয়োটা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নতুন মহাসচিব ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় অফিস উদ্বোধন। এ্যাডভোকেট অপুকে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পেতে চায় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। রাজনীতিতে শেষ বলতে কিছু নেই। নরওয়ে আইভরিকোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলতে। ট্রাইব্রেকারে জার্মানিকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে। আশাহত জার্মান ভক্তরা। ট্রাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে মরক্কো জয়ী হয়ে বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে।

‘সরকার সাংবাদিকদের কোনো ধরনের বাধা দেয় না’

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৬৭৩ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সরকার সাংবাদিকদের কোনো ধরনের ‘বাধা দেয় না’। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা সাংবাদিকদের ‘সেই সুযোগ’ করে দিয়েছিলেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

সাপ্তাহিক মিল্লাত, দৈনিক ইত্তেহাদ ও দৈনিক ইত্তেফাকের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জড়িত থাকার কথা এবং তার বাংলার বাণী প্রতিষ্ঠা করার কথা তুলে ধরে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার কন্যা হিসেবে নিজেকে তিনি ‘সাংবাদিক পরিবারের একজন’ বলেই মনে করেন।

এসময় তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে হবে। সাংবাদিকতা যেন ‘নীতিহীন’ না হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন পত্রিকায় অনেক সময় অনেক ঘটনা আসে। সাথে সাথে কিন্তু আমরা সেটা… সেই রিপোর্ট দেখে কিন্তু অনেক মানুষকে, অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই, আবার অনেক অন্যায় ঘটনা ঘটলে তার প্রতিকারও করতে পারি, অনেক দোষীকেও আমরা শাস্তি দিতে পারি এবং দিয়ে থাকি।’

‘কাজেই সেই দিক থেকে আপনাদের রিপোর্টগুলো… হ্যাঁ… অনেক ঝুঁকি নিয়ে আপনারা অনেক সময় রিপোর্ট করেন। সেইজন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি এইটুকু অনুরোধ করব যে আপনারা যেমন ধন্যবাদযোগ্য কাজও করেন, কিন্তু এমন রিপোর্ট করবেন না যেটা মানুষের মাঝে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে বা মানুষ বিপথে যায়। সেদিকেও আপনাদের বিশেষ করে দৃষ্টি দেবার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয় দায়িত্বশীলতা নিয়ে, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে, মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে কাজ করবেন।’

‘নীতিহীন’ সাংবাদিকতা যেন না হয়- সেই আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা বলেছিলেন, নীতিহীন রাজনীতি দেশ ও জাতিকে কিছু দিতে পারে না। তেমনি নীতিহীন সাংবাদিকতা দেশের কোনো কল্যাণ করতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান হওয়ার পর যখন সবাই বাংলাদেশে চলে আসে, তখন ইত্তেফাক বের করা হয়। সেখানেও কিন্তু বঙ্গবন্ধু ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।

আবার আওয়ামী লীগের জন্য আরেকটি পত্রিকা তিনি বের করেছিলেন ‘নতুন দিন’ নামে। তার পরবর্তীতে তিনি সাপ্তাহিক বাংলার বাণী বের করেন। “১৯৫৮ সালে মার্শাল ল এর পর তিনি যখন গ্রেপ্তার হন, এরপর উনি যখন মুক্তি পান, সেই ১৯৬১ সালের দিকে, তখন থেকেই কিন্তু এই সাপ্তাহিক বাংলার বাণী বের করেন। সেইদিক থেকে আমি অন্তত দাবি করতে পারি, আমিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সন্তান হিসেবে সাংবাদিক পরিবারেরই কিন্তু একজন সদস্য। কাজেই সেভাবে আমি আপনাদেরকে দেখি।”

রজতজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, স্বাগত বক্তব্য দেন উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী।ডিআরইউর সাংগঠনিক সম্পাদক হাবীবুর রহমান অনুষ্ঠানে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews