বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরওয়ে আইভরিকোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলতে। ট্রাইব্রেকারে জার্মানিকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে। আশাহত জার্মান ভক্তরা। ট্রাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে মরক্কো জয়ী হয়ে বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে। প্রতিনিয়ত রোড এক্সিডেন্ট থেকে বাঁচার জন্য কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেনের রাস্তা ও রেললাইন চায় বরিশালবাসী। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার স্থায়ী পরিষদ সদস্য ও নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন সোবহান হাওলাদারকে স্থায়ী পরিষদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা কেরাণীগঞ্জে ২২০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনের জায়ান্ট হান্ডা ইন্ডাস্ট্রিজ। ১৩০০০ জনের কর্মসংস্থান হবে। ভারতের ফেলে রাখা জমিতে চীনের হাই-টেক জোন। বেইজিংয়ে ঐতিহাসিক চুক্তি করলো ঢাকা। বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব দিয়েছে চীন ভাইয়া গ্রুপ (নাবিস্কো) কেরাণীগঞ্জের কাজীরগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে চলছে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট রাইট এইড নামে অত্যাধুনিক হাসপাতাল। ঢাকায় পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিল

ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১২৫১ বার পড়া হয়েছে

মাগুরায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শসা চাষ। চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে। পানির ওপর মাচায় হলুদ-সাদা ফুল কিংবা থরে থরে ঝুলছে শসা। এমন দৃশ্যই দেখা যায় মাগুরার বিভিন্ন মাঠ ও খেত খামারে। এবার শসার আবাদও ভালো হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো। এতে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। শসার বীজ রোপণের ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধরা শুরু হয়।

বিঘাপ্রতি খরচ হয় ১০ হাজার আর বিক্রি হয় ২০ হাজার টাকায়। লাভ বেশি হওয়ায় শসার চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।

সদর উপজেলার ট্যাংগাখালী মাঠ ঘুরে দেখা যায়, শসার পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পাইকারদের কাছে শসা বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন অনেক কৃষক। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারদের কাছে প্রতি মণ শসা ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা বিক্রি করছেন তারা।

শসা চাষি পারভেজ বলেন, এ মৌসুমে দুই একর জমিতে শসার আবাদ করেছেন, যাতে খরচ হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। এতে বিক্রি হবে ২ লাখ টাকার বেশি। এবার আবহাওয়া ভালো। বাজারে শসার ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।

গোমকোট গ্রামের শসা চাষি কামাল হোসেন বলেন, প্রায় দেড় একর জমিতে শসার আবাদ করেন তিনি। প্রথমবার অধিক বৃষ্টির ফলে অনেক গাছ মারা যায়। পরে আবার গাছ লাগাই। এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে শসা বিক্রি শুরু করব। কিন্তু কৃষি অফিসার বা তাদের অফিস থেকে কোনো সুযোগ পাইনি।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, এ মৌসুমে মাগুরা জেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ করা হয়।

আবহাওয়া ভালো থাকায় বাজারে শসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। এছাড়া কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের মধ্যে প্রয়োজনীয় বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান এ কৃষি কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews