
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ’র নেতৃত্বে দুই জোটের
নির্বাচনি লড়াই বেশ জমে উঠেছে। আওয়ামীলীগ মাঠে নেই কিন্তু তাদের অসংখ্য সমর্থক নিরব। অন্যদিকে ব্যাপক
সংখ্যক তরুণ ভোটার কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নয় তারা প্রার্থী দেখে ভোট দিবে এবং তারাও নিরব। এছাড়া মহিলা ভোটাররা রাস্তা ঘাটে চলাচলে নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা চায়। শীর্ষ নেতৃদ্বয়ের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা থাকলেও শেষপর্যন্ত প্রার্থীই হবে ফ্যাক্টর। যে জোট যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করতে পেরেছে তারাই নিরব ভোটারদের সমর্থনে জয়ী হবে। প্রার্থী নির্বাচনে দলগুলোর আরো সচেতন হওয়ার প্রয়োজন ছিল। জোট করতে গিয়ে তাদের অনেক ছাড় দিতে হয়েছে ফলে নিশ্চিত জয়ও হাতছাড়া হতে পারে। জনপ্রিয় স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও ঘটাবে বড় অঘটন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কারণে অনেক আসনে আনএক্সপেক্টেড কীছু ঘটতে পারে এবং সরকার গঠনে প্রয়োজন হতে পারে তাদের সহযোগীতা। এধরণের ঘটনায় ভবিষ্যতে জোট টিকিয়ে রাখাও হতে পারে কষ্টসাধ্য। আশা করা যায় আগামী সংসদ হবে বেশ প্রাণবন্ত যেখানে দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা করে সহজে কেউ পার পাবে না।
লায়ন সোবহান হাওলাদার