
আসন্ন নির্বাচনে প্রধানত ২টি জোট প্রতিযোগিতা করছে এবং এই জোটের যেকোনো একটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাবে অন্যটি হবে বিরোধীদল। দুইটি জোটের মধ্যে আবার ২ টি প্রধান দল যারা বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ছিল এবং মামলা-হামলা- নির্যাতন সহ্য করেছে। অন্যরাও আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন কিন্তু বিগত সরকার তাদেরকে মোটামুটি থামিয়ে রাখতে পেরেছে এবং বড় ধরণের হুমকি মনে করে নাই।
বর্তমানে নেতৃত্বদানকারী ২টি দলের প্রত্যেকটির ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার সক্ষমতা ছিল। এসব আসনে প্রত্যেকটি দলের অনেক জনপ্রিয় প্রার্থী ছিল যারা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল কিন্তু জোট করতে গিয়ে সম্ভাবনাময় প্রার্থীদের বাদ দিয়ে জোটসঙ্গীদের সমর্থন দিতে হচ্ছে। অনেক দলের কেন্দ্রীয় নেতারা নিজের মার্কা বাদ দিয়ে বড় দলের মার্কা নিয়ে নির্বাচন করছেন অর্থাৎ পাশ করার জন্য নিজ দল থেকে পদত্যাগ করে অন্য দলের সাধারণ সদস্য হতে বাধ্য হয়েছেন। এরফলে নিজের কিংবা নিজ দলের জনপ্রিয়তা যাচাই করা আর সম্ভব হলো না। এধরণের জোটবদ্ধতায় অপেক্ষাকৃত ছোট দলের আদর্শিক অবস্থান কেমন হবে কিংবা দল টিকবে কী না তা ভবিষ্যৎই নির্ধারণ করবে।
জোটের কারণে নিশ্চিত জয়ী হতে পারতেন এরকম অনেক প্রার্থীই দলের নমিনেশন পেলেন না আর যারা বিদ্রোহী হয়ে ইলেকশন করছেন তারা বঞ্চিত হলেন বটবৃক্ষের ছায়া থেকে। শুধুমাত্র জোটের কারণে বড় দলের অনেক ত্যাগী ও জনপ্রিয় ক্যানডিডেটদের অন্যের ইলেকশন করতে হচ্ছে যা অত্যন্ত পীড়াদায়ক। এদের অনেকেই হয়তবা উচ্চকক্ষে মূল্যায়িত হবেন যদি হ্যা জয়যুক্ত হয়।
লায়ন সোবহান হাওলাদার
সদস্য, স্থায়ী পরিষদ
ও ভাইস চেয়ারম্যান
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা