প্রার্থী যতো বেশি বেশি হাত মেলাবে ভোটাররাও তাদের হাত ততো বেশি প্রসারিত করবে। বেশি বেশি শো-ডাউনে জনপ্রিয়তা কমতে পারে কেননা এসব শো-ডাউন ভোটারদের অ-পছন্দনীয় লোকের আধিক্য থাকতে পারে। যে এলাকায় প্রার্থী যাবে সে এলাকার সমস্যা সমাধানে প্রার্থীর বক্তব্য ভোটাররা আশা করে। অধিকাংশ প্রার্থীই তার এলাকার সমাধানে বক্তব্য না দিয়ে জাতীয় পর্যায়ের বক্তব্য রাখেন যা সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের আকৃষ্ট করে না।
প্রতিযোগী প্রার্থীর দোষ-ত্রুটি না বলে নিজের ইশতেহারে মনোযোগী হওয়া বাঞ্ছনীয় কেননা ভোটাররা প্রার্থীর অতীত-বর্তমান কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। নতুন প্রার্থীদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তারা অত্যন্ত তৎপর তাই নতুন বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।
অধিকাংশ জনগণ গিবত পছন্দ করে না।
প্রতিযোগী প্রার্থীর প্রচারণায় বিঘ্ন ঘটালে নিজের জনপ্রিয়তা নিম্নমুখী হবে।
হেভিওয়েট প্রার্থী বলে পার পাওয়ার সুযোগ সীমিত কেননা এবারকার নির্বাচনে একটা বড় অংশ ইয়াং ভোটার যারা বাস্তববাদী এবং হেভিওয়েটে বিশ্বাসী নয়।
আবেগতাড়িত কিংবা আদর্শকে এসব ভোটাররা লালন করে না।
এবারকার ভোটাররা দেশের সার্বভৌমত্ব, আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, ন্যায় বিচার ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ বিনির্মাণে আস্থাশীল প্রার্থীকেই ভোট দিবে।
লায়ন সোবহান হাওলাদার
সদস্য, স্থায়ী পরিষদ ও
ভাইস চেয়ারম্যান।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা।